Thursday , 21 September 2017
Home --প্রধান সংবাদ-- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জনের পর ১৯৭২ সালের এই দিনে পাকিস্তানে দীর্ঘ কারাবাস শেষে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে তার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসা থেকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালী কারাগারে আটক রাখেন। কারাগারে বন্দী করা হলেও বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তার নামেই চলে মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ’৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। লন্ডন-দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। সেদিন বাংলাদেশে ছিল এক উত্সবের আমেজ। গোটা বাঙালি জাতি রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল কখন তাদের প্রিয় নেতা, স্বাধীন বাংলার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীন দেশের মাটিতে আসবেন। পুরো দেশের মানুষই যেন জড়ো হয়েছিল তেজগাঁওস্থ ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায়। বিমানবন্দর থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পর্যন্ত রাস্তায় জনতার ঢল নামে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রাধানমন্ত্রীর বাণী

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তাঁর আদর্শ মুছে দিতে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব খর্ব করতে অপচেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু যতদিন বাংলাদেশ ও বাঙালি থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু সবার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমেই বাঙালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। তিনি বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়। দীর্ঘ সংগ্রাম আর ত্যাগের বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছি।

কর্মসূচি

দিবসটি পালনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল সাড়ে ৬টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারাদেশে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, দুপুর আড়াইটায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা। জনসভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে দেশের প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আওয়ামী লীগ এবং সংগঠনের সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির অনুরূপ কর্মসূচির আয়োজন করবে। আওয়ামী লীগ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালনে নিয়েছে বিস্তারিত কর্মসূচি।

ট্যাগ সমূহঃ ,
ডেস্ক প্রকাশক (উ/প্র) | Published On:January 10, 2017

❝আরো পড়ুন❞

➧জেনেনিন চুমু শরীরের পাঁচটি বড় উপকার করে

➧হঠাৎ করে শারীরিক সম্পর্কে কী পরিবর্তন আসে মহিলাদের শরীরে?

➧যাদেরপুরুষাঙ্গ ছোট তাদের জন্য বিজ্ঞানীদের নতুন বিষ্ময়কর তথ্য!

➧জানুন পুরুষদের কাছে নারীর বক্ষ কেন এত আকর্ষণীয়

➧জানুন যা করলে পুরুষের লিঙ্গ সহজে বড়, মজবুত ও মোটা করার যায়

➧কনডম ব্যবহার করার সময় এই ভুলগুলি এড়িয়ে চলুন

❝এই বিভাগের আরো পোস্ট পড়ুন❞

  • ➧দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি কামনাঃবিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের সমাপ্তি

  • ➧জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন শিক্ষার্থী

  • ➧মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বাস্তবায়নাধীন প্রধানমন্ত্রীর গণমুখী উদ্ভাবনী

  • ➧আজ থেকে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা শুরু

  • ➧আরো ৫০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেয়া হবে জানালেন প্রধানমন্ত্রী